চীনে উচ্চশিক্ষায় কি সুবিধা : জেনে নিন সব তথ্য

চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চীনের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বর্তমান আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত মেধাবী ও দক্ষ ছাত্ররা চীনের সামাজিক ক্ষেত্রেও নিয়ে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। সাম্প্রতিককালে চায়না বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার একটি অন্যতম প্রধান গন্তব্যস্থলে পরিনত হয়েছে। আধুনিক চীনে বিদেশী শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন শুরু হয় ১৯৫০ সালের দিকে এবং বর্তমানে চায়নাতে উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা চলছে তা বিশ্বের যে কোন উন্নত দেশকে হাতে তুড়ি দিয়ে হার মানাতে সক্ষম। চীনে প্রতিনিয়ত উচ্চ শিক্ষার পরিবেশ পরিবর্তিত এবং উন্নত থেকে উন্নততর হচ্ছে। চীনে বর্তমানে ৩ হাজারেরও বেশী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে প্রায় ২০ মিলিয়নেরও বেশী শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। চাইনিজ শিক্ষা ব্যবস্থায় দেশী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং ডক্টোরাল প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন নন-ডিগ্রী প্রোগ্রামেও ভর্তি ও অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে।এশিয়ার দেশ চীন অর্থনৈতিক দিক থেকে যেমন উন্নত, তেমনি দেশটি শিক্ষাব্যবস্থার দিক থেকেও এগিয়ে চলেছে। চীনের উচ্চশিক্ষার মান বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সারা বিশ্বেই তা গ্রহণীয় ও সমাদৃত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ছাত্রছাত্রীরা উচ্চশিক্ষার জন্য চীনে পাড়ি জমাচ্ছেন।বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্ন থাকে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর।সঠিক তথ্য না জানা থাকলে বহুদিনের লালিত স্বপ্নও ব্যাহত হয়।তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা থাকলে প্রথমেই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার স্বচ্ছ ধারণা রাখতে হবে। উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীদের কাছে চীনের নাম তালিকার শীর্ষের দিকেই থাকে। এ দেশটিতে বর্তমানে বহু বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। আর এর মধ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পরিমাণটাও নেহাত কম নয়। চীনে এত বেশি বিদেশি শিক্ষার্থী আকৃষ্ট হওয়ার কারণও আছে অনেক। সে বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই আসে দেশটির উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ, চীনের বন্ধুভাবাপন্ন সংস্কৃতির কথা। এসব দিক বিবেচনা করলে চীনের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আপনার আগ্রহ বাড়বেই। কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দেশে গিয়ে পড়াশোনা করার ঝক্কিটাও কম নয়। চীনে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে শিক্ষার্থীরা প্রথমেই যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন, সেটি হলো প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব। কীভাবে সেখানে যাবেন, কোথায় পড়বেন, কীভাবে ভর্তি হবেন, পড়াশোনার খরচ কেমন, দ্রব্যমূল্য- এসব জানতে গিয়ে পড়ুয়াদের প্রচুর কাঠ-খড় পোড়াতে হয়।
সুদীর্ঘ বছরের ঐতিহ্যকে ধারণ করে চীনের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত জনপ্রিয়তার শীর্ষে আরোহণ করছে।আর্ন্তজাতিক শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করছে চীন। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের সাথে সাথে আরো বেশি বাংলাদেশী ছাত্র- ছাত্রীরা চীনে অধ্যয়ন করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশি ছাত্র -ছাত্রীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যস্থল হিসেবে চীন জায়গা করে নিয়েছে বিগত কয়েক বছরে।২০১৯ সালে তা বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে, কেননা বর্তমানে ব্যাচেলর সম্পন্ন করে বিশ্বের ১ নাম্বার অর্থনীতির দেশ চায়নাতে রয়েছে স্থায়ীভাবে বসবাসের সূযোগ। আসন সংকট এর কারণে বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পচ্ছন্দসই বিষয়ে পড়া শোনার সুযোগ নষ্ট হয় অনেকেরই। গুণগতমান এবং খরচ এই দুইকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে উচ্চশিক্ষা নেয়াটা কষ্টকর হয়ে পরে। বাংলাদেশ, চীন সুসম্পর্কের ভিত্তিতে বিশ্বের অন্যতম সুপার পাওয়ার চায়না এদেশের শিক্ষার্থীর জন্য উচ্চশিক্ষার দরজা খুলে দিয়েছে। চীনের ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে রয়েছে স্কলারশীপ ফান্ড এর অধীনে১০০% টিউশন ফি ছাড়াই স্কলারশীপসহ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুবর্ণ সুযোগ ।
চীনের বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও অধ্যয়নের ব্যাপারে বাংলাদেশ থেকে কনসালটেন্সী প্রদান করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান উরমর Digi Edu Pro এর স্বত্বাধিকারী / সিইও মইনুল হক সাক্ষাতকালে জানান দীর্ঘদিন যাবত তিনি চীনে অধ্যয়নের ব্যাপারে পরামর্শসহ ভর্তি ও ভিসা সার্ভিস প্রদান করছেন । সিইও মইনুল হক বললেন,সঠিক জ্ঞান ও তথ্যের অভাবে অনেক সহজ সুযোগ কাজে লাগানো যায়না।বর্তমানে সবচেয়ে সহজে ও কম সময়ে চীনের স্কলারশীপ পাওয়া যায়।প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে চীনে স্কলারশীপ পান।চায়নাতে পড়তে যেতে চাইলে উরমর Digi Edu Pro সার্বিক সহযোগীতা করে থাকে কারণ আমরা চায়নার এডুকেশনকে সারা বিশ্বে সহজলভ্য করতে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশ চায়না সরকারের ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড প্রজেক্টের অন্তরভূক্ত হওয়ায় ব্যাপক স্কলারশিপ এর সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশী ছাত্র – ছাএীরা। যেমন সিচুয়ান ইউনিভাসিটির মত ওয়াল্ড ক্লাস ইউনিভাসিটিতে ও পড়ার সুযোগ পাচ্ছে ফুল স্কলারশিপে। ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড ছাড়াও ইউনিভার্সিটি, প্রভিন্সিয়াল, কনফুসিয়াশ, চায়না গভার্ণমেন্ট স্কলারশিপ এর মতো প্রেষ্টিজিয়াস স্কলারশিপ রয়েছে। চীনে এভেইলাবল ভার্সিটি থাকার কারনে সাবজেক্ট পছন্দ ,ভর্তি, স্কলারশিপ সহ ভিসা পেতে সমস্যা হয় না।

সেমিস্টার পদ্ধতি : সাধারণত দুটি সেমিস্টারে চীনে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রথম সেমিস্টার সেপ্টেম্বর ; দ্বিতীয় সেমিস্টার মার্চ এ শুরু হয় ।
চীনে প্রতিবছর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর,মাস্টার্স,এবং পিএইচডি জন্য স্কলারশিপ দেওয়া হয়।স্কলারশিপের বিভিন্ন প্রকার রয়েছে,কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি+হোস্টেল ফি+মাসিক ভাতা প্রদান করে থাকে।কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আবার টিউশন ফি+হোস্টেল ফি প্রদান করে থাকে,কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আবার শুধু ৪ বছরের টিউশন ফি প্রদান করে থাকে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যেসব ভার্সিটি ফি+হোস্টেল ফি+মাসিক ভাতা প্রদান করে থাকে তাদের কিছু শর্ত থাকে,তার মধ্যে ক্লাসে ৯০ শতাংশ উপস্থিতি,কোন বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া যাবেনা, কোন বিষয়ে ৭০-৮০ শতাংশের কম নাম্বার পাওয়া যাবেনা। তাই যারা মনে করেন এরকম শর্ত মানা যাবেনা তাদের জন্য শর্তছাড়া মানে আনকন্ডিশনাল স্কলারশিপই ভালো।

শিক্ষার মানঃ
চীনের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বমানের, পড়ালেখার মান ও বিশ্বমানের।যাদের র্যাংকিং বাংলাদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে অনেক এগিয়ে এবং এখানের শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি অনেক যত্নশীল।তারা ক্ষুদে বার্তা বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার খবর নিয়ে থাকেন।

যেসব বিষয়ে স্কলারশিপ পাবেনঃ
চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভিন্ন বিষয়ে স্কলারশীপ দিয়ে থাকে,তারমধ্যে
ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য বেশী স্কলারশীপ দিয়ে থাকে তবে অন্যান্য বিষয়েও স্কলারশীপ রয়েছে।

কেন যাবেন চীনেঃ
তুলনামূলক সল্প খরচে বিশ্বমানের এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডে পড়াশুনা করার সুযোগ । এশিয়ানদের জন্য তুলনা মূলক স্কলারশিপ পাওয়া সহজ। কম ব্যয়ে বসবাসের সুযোগ । কোর্স শেষে রয়েছে বিশ্ব সেরা কোম্পানিগুলোয় ইন্টার্শিপ এবং চাকুরির সুবিধা। তবে পড়াশুনা চলাকালীন সময়ে কোন ধরনের চাকুরির সুযোগ নেই । তবে ক্যাম্পাসের ভেতর ভার্সিটির অনুমতি সাপেক্ষে কাজ করা যায় । সেটা হাত খরচের জন্য যথেষ্ট তবে কখনো টিউশন ফি, ডর্মেটরি ফি এর জন্য যথেষ্ট নয়। অনেকে স্থানীয় স্কুল গুলোয় ফরেন ইংলিশ টিচার হিসেবে শিক্ষকতা করেন।
চীনা ভাষা নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় থাকেন। কিন্তু এটা মোটেও চিন্তার কোন ব্যাপার নয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সবাই ইংরেজিতেই কথা বলেন। বিদেশি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যমেই ক্লাস হয়। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি ফ্রি চায়না ভাষার ক্লাসও অফার করে। ভালোভাবে পড়াশুনা করলে ছয় মাসেই চীনা ভাষা শেখা সম্ভব।সব থেকে বড় কথা হচ্ছে, ইউরোপিয়ান দেশ গুলোর মত ভিসা পাওয়া কঠিন নয় বরং অনেক সহজেই চাইনিজ ভিসা পাওয়া যায় ।

পার্ট-টাইম জবঃ
সংক্ষেপে বলতে গেলে চীনে বিদেশী ছাত্র ছাত্রীদের পার্ট টাইম জব করা বেআইনী।চীনে ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনা নিয়ে খুব বেশী ব্যস্ত থাকতে হয়,সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্লাস,হোমওর্য়াক,ল্যাব এর পর বাড়তি কাজের সুয়োগ কমই হয়।তবে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মতো চীনেও অনেক পার্ট-টাইম জব রয়েছে,পার্ট-টাইম জব করতে হলে প্রথমে চাইনীজ শিখত হবে,এবং বিশ্ববিদ্যলয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে তারাই পার্ট-টাইম জব ম্যানেজ করে দেয়, আর যদি নিজে নিজে ম্যানেজ করতে পারে তাহলে কাজ করার পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই অবহিত করতে হবে।সেক্ষেত্রে ইংরেজী পড়ানো,দোভাষী হিসেবে কাজ করার সুযোগ বেশী থাকে।৮০% কাজ থাকে ইংরেজী পড়ানোর।+চীনে পড়াশোনা শেষ হবার পর জব প্লেসমেন্ট এর সুযোগ রয়েছে।বিবিএ/এমবিএ শেষ করার পর যেকোন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে জব করার সুয়োগ রয়েছে।নিজের দেশে এসেও চায়না কোম্পানীতে জব করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়।চায়নার সরকার কত

কোন ভাষায় পড়বেন ?
চাইনিজ কিংবা ইংলিশ দুই ভাষাতেই পড়তে পারবেন । ডিপ্লোমা সাধারণত চাইনিজে পড়ানো হয়। অনার্স , মাস্টার্স, পিএইচডি চাইনিজ কিংবা ইংলিশে করতে পারেন । সিএসসি স্কলারশিপের এপ্লাই করতে হলে অবশ্যই আইয়েলসের প্রয়োজন পড়বে । যদি আপনার প্রোফাইল আউটস্ট্যান্ডিং হয় সেক্ষেত্রে কন্সিডার করে অনেক সময় ।কখনো ইউনিভার্সিটিতে যেয়ে প্রফিসিয়েন্সি টেস্টের জন্য ছোট্ট পরীক্ষা দেয়া লাগে। আর যারা চাইনিজে পড়তে চান গ্রাজুয়েশনের পূর্বে HSK কমপ্লিট করতে হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ইংলিশ ভার্সনে যারা পড়বেন তাদেরকেও HSK 4 কমপ্লিট করতে হবে। এতে করে পরবর্তীতে চীনে জব করতে কোন অসুবিধা হবেনা একই সাথে অনেক অপর্চুনিটির দুয়ার খুলে যাবে। চাইলে ৬ মাসেও ঐঝক ৪ কমপ্লিট করা যায় । ভয়ের কোন কারন নেই।

[ বি দ্রঃ মেডিকেলের ক্ষেত্রে কোন স্কলারশিপ নেই ] স্কলারশিপের ধরন এবং ইউনিভার্সিটি অনুযায়ী ৬০%-৮০% মার্কের প্রয়োজন হবে। তবে ৯০% এটেন্ডেন্স মাস্ট এতে কোন মাফ নাই। ক্লাসের একটিভিটি ভালো হলে তো আর কোন কথাই নেই। ৩০%-৫০% মার্ক ক্লাস পার্ফরমেন্সের উপরেই ডিপেন্ড করে।

চীনে লাইফস্টাইল: খাবার খরচ সম্পুর্ণ নিজের উপর , আপনি কেমন খাবেন তার উপর আপনার খাবার খরচ নির্ভর করবে। তবে সাধারণ ভাবে রান্না করে খেলে প্রভিন্স ভিত্তিক ৪ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে অনায়াসে খাওয়া যায়। চায়না থাকা খাওয়ার খরচ প্রায় বাংলাদেশের মতোই, ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেরা হোস্টেলে রান্না করে থাকে। প্রথম প্রথম যারা আসবে তাদের জন্য চাইনীজ খাবার খাওয়া কষ্টসাধ্য হবে, তাই নিজেরা বাজারে গিয়ে মাছ, মুরগি, গরুর মাংস, ডিম, শাক-সবজি এনে রান্না করে খেতে পারে।এতে যেমন খরচ কম পড়বে তেমনি সু-স্বাদু বাঙ্গালী খাবারও খাওয়া যাবে।
কিছুদিন আগে একটা সংস্থা এক হাজার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা করে। তারমধ্যে এশিয়ার দেশ চীনের রয়েছে সর্বোচ্চ ৯২টি।তবে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এনরোল করে এমন সব ইউনিভার্সিটিই পাব্লিক ইউনিভার্সিটি । কোন দেশের পাব্লিক ইউনিভার্সিটি নিশ্চয়ই খারাপ হবেনা । বাংলাদেশের যেমন বুয়েট অনেক ভাল কিন্তু তাই বলে যে রুয়েট খারাপ তা কিন্তু নয় । গ্রাজুয়েশন, পোষ্ট গ্রাজুয়েশনে ইউরোপিয়ান দেশ গুলোর বিশ্ববিদ্যালয়েও রয়েছে ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুবিধা। মজার বিষয় হচ্ছে ইউরোপিয়ান কিংবা আমেরিকান দেশ গুলোতে যাবার ক্ষেত্রে চীন থেকে ভিসা পাবার হার বেশি।অমুকে বলেছে চীনে তমুক হয়। কোথাও দাম নেই । হেন তেন কাকের ঠ্যাং। প্রযুক্তির কথা নাই বা বললাম । তাদেরকে কষ্ট করে জিজ্ঞেস করবেন চীনের রিসার্চ সম্পর্কে। আরো জিজ্ঞেস করবেন পশ্চিমা দেশ গুলোতে পড়ার জন্য বাংলাদেশ এবং চীন এই দুই দেশের কেমন এলিজিবিলিটি সাধারণত চাওয়া হয়ে থাকে। সাথে বাংলাদেশে বড় বড় প্রোজেক্ট গুলো কাদের আন্ডারে আর সেখানে কাজ করা বাংলাদেশী ইঞ্জিনিয়ার যারা আছেন তাদের ব্যাপারে খোজ খবর নিতে বলতে পারেন । মেডিকেল/ নার্সিং এর কথা যদি বলি আমেরিকান হাসপাতাল গুলোয় কি পরিমান চাইনিজ মেডিকেল পার্সন আছে পরিচিত কেউ থাকলে খোজ নিয়ে দেখতে পারেন। বিজনেস যারা করবেন তাদের জন্য স্বর্গরাজ্য এটা তো বলার বাদ রাখেনা। যোগ্যতা থাকলে এখানে খুব ভালো জব পাবেন এটা তো উপরেও বলে এসেছি। পড়াশোনা ভালো, আলাদা মজার লাইফ পাচ্ছেন, জব পাচ্ছেন , বিজনেস পাচ্ছেন , মাইগ্রেশনের সুবিধা পাচ্ছেন ! আর কি চান? তাই যাঁরা উচ্চশিক্ষার এবং উচ্চতর গবেষণার জন্য দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার কথা ভাবছেন, তাঁরা চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পছন্দের তালিকায় রাখতে পারেন।

চীনে উচ্চ শিক্ষার জন্য যারা আগ্রহী তারা ভর্তি সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন।

ঢাকা অফিসঃ House #113/C, (2nd Floor), Rajlaxmi main road, Sector #4, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh.
Phone Tel:- +88 0248955876 (9 am to 6 pm), Weekend Friday
যেকোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন:
Mobile-01747273781, 01617111110, 01968263675,01841273781.

About newsroom

Check Also

নারী সব পারে: এডিসি লাকী

 ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মাহমুদা আফরোজ লাকী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে আইন …