রাজধানীর বঙ্গবাজার ‍এলাকায় চলছে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি

0
155

সৈয়দ ওয়ালি-উল্লাহ: রাজধানীর বঙ্গবাজার এলাকাসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পেছনের রাস্তায় গড়ে উঠেছে ছোট বড় অগণিত মার্কেট। বঙ্গবাজার ‍এলাকায় গুলিস্হান ফ্লাইওভারের নীচের অংশ টি এমনই অবহেলিত, যা দৃষ্টি আকর্ষণ সময়ের চাহিদা মাত্র। অত্র এলাকার রাস্তার দুই পাশে বেশ কিছু সনামধন্য স্হায়ী মার্কেট থাকার পাশাপাশি রয়েছে সরকারী, আধা সরকারী বড় বড় প্রতিষ্ঠান । এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন অফিস (নগর ভবনের পেছন অংশ ),ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স, ও প্রানী ও পশুসম্পদ চিকিৎসা কেন্দ্র। রাজধানীর এই ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি অবৈধ আর অসৎ ব্যাবসার আখড়াতে পরিনত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দু-পাশ যেন ঘোড়ার আস্তাবোল, অবৈধ বাস স্ট্যান্ড পুরো রাস্তা জুড়ে ছেয়ে ‍আছে গন পরিবহণ। যেখানে মানুষের হাঁটাচলা তো দূরে থাক কারো দাডাঁনোর জায়গায় টুকুও নেই। ‍এখানে দিনের পর দিন অবস্থানরত বাসগুলোর প্রায় সবই চলাচল করে আন্তজেলার বিভিন্ন অঞ্চলগুলোতে। অবৈধ ভাবে ‍এই পার্কিং করে জনসাধারণের চলাচলে বাধাঁ গ্রস্থ করছে ‍একটি চক্র। শুধু তাই নয় এর সাথে বিভিন্ন অবৈধ ব্যাবসাসহ চলছে প্রকাশ্য দিবালোকে চাঁদাবাজি।
জানা গেছে স্থানীয় ব্যবসাহীদের পন্যবাহী যান বিভিন্ন স্থানে মালামাল স্থানান্তরের সময় তাদের গতি রোধ করে  যার কাছ থেকে যা খুশি কোনপ্রকার রশিদ ছাড়াই আদায় করছে টাকা। আর টাকার অংক না মিললে যানবাহনের সচল চাকা পুটো করে দেয় বলে যানা গেছে।
উক্ত এলাকায় প্রকাশ্যে অবৈধ এ চাঁদাবাজির সাথে জড়িত রয়েছে বেশ কয়েকজন বহিষ্কৃত পরিবহন শ্রমিক।

সিন্ডিকেটে জরিতদের মধ্যে সোহেল নামক এক ব্যাক্তি বলেন, আমি পরিবহণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম কিন্তু আমিসহ কয়েকজনকে কাজ থেকে বের করে দেওয়ায় আমরা বেকার হয়ে পড়ি, এমতবস্থায় কোনো উপায় না পেয়ে আমরা এ ধরনের কাজ করছি।
এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানান। অথচ প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে এধরনের ঘৃণ্য কর্মকান্ড কি উপায়ে চলে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে মার্কেটের নিরিহ, ভীত ব্যাবসাহীরা দিনের পর দিন মাসের পর মাস সহ্য করে দিয়ে যাচ্ছেন এধরনের অহেতুক কর । যা হিসাব করলে মাসিক হিসেবে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা!