মানব গোষ্ঠী ও করোনা ভাইরাস “তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ “

0
356

একজন সাধারণ মানুষ একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মানুষ হিসাবে করোনা ভাইরাস ও বাংলাদেশ নিয়ে কিছু লিখার প্রচেষ্টা। এটি একটি বিশ্বযুদ্ধের জন্য একটি ফরমুলা!

আমারা বাংলাদেশের মানুষ শুধুই করোনা ভাইরাস এর সাথেই বিশ্বযুদ্ধ নয়, সাথে গরীবদের জন্য খাদ্য সংকটও মোকবিলা করতে হবে। না হয় মহামারীর সাথে ক্ষুধার্থ অবস্থায় মানুষের হিতাহিত জ্ঞান শূন্যতায় রাস্তায় লুটপাটের জন্য একটি দেশ ও জাতিকে বিলুপ্ত করে দিতে পারে।

শুধুই প্রশাসনকে কাজ লাগিয়ে সফল হওয়া সম্ভব নয় কারণ প্রশাসনের লোকরা যখন আক্রান্ত হবে তারাও কাজ করতে অনিহা প্রকাশ করবে। তাই সেচ্ছাসেবী নাম লিষ্ট করে প্রশাসনিক রিপোর্টের মাধ্যমে সঠিক লোকদের লিষ্ট করা প্রয়োজন বোধ করছি।

সরকারী খাদ্য ও চিকিৎসা খাতে যদি চোর কেউ প্রমানিত হয় জনগনের সামনে ফাঁসি কার্যক্রম চালুর জন্য আকুল আবেদন রইলো।

১) এই ক্রান্তিলগ্নে একজন সৎ, একজন সফল রাষ্ট্র নায়ক হিসাবে জেনারেলের ভূমিকায় থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী রাষ্ট্রনায়ক ” জেনারেল শেখ হাসিনা”।
উনার আন্ডারে ৫০ জন জেনারেল থাকবে যারা আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ ও আলোচনার মাধ্যমে সব কর্ম পরিকল্পনা পরিচালিত হবে।
জ্বি নেত্রী সব ঠিক আছে, এই ধরনের লোকদের এই কমিটিতে রাখা যাবে না!!
তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের জন্য আমাদের জেনারেল শেখ হাসিনার আশে পাশে ১০০% সৎ লোক লোকের আনাগোনা থাকতে হবে এবং দেশের প্রয়োজন সরাসরি কঠিন ভাবে আলোচনা করতে হবে। দেশ বাচলে সরকার বাঁচবে মনোভাব থাকতে হবে সবারই!
৫০ জন মানুষের মধ্য আর্মি প্রধানগণ, পুলিশ প্রধানগণ, ১০ জন উচ্চ ও মধ্য পর্যায়ের ডাক্তার , দুই জন নার্স, মধ্যবিত্ত সমাজ থেকে ১০ জন, নিম্ন বিত্ত থেকে ১০ জন উনারা এই যুদ্ধে ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রতিটি সিদ্ধান্তে থাকবে।

“কারণ বাংলাদেশের তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধটা শুধুই করোনা ভাইরাস এর সাথে অল্প খাদ্য সবাইকে সততার সাথে খাদ্য বন্টন করতে হবে। এর জন্য মাঠ পর্যায়েরও ছক আঁকতে হবে! ”
‌‌‌
২) দ্বিতীয় পর্বেও “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী জেনারেল শেখ হাসিনার” কনট্রোলে থাকবে! মেয়ররা, এমপিরা, বিরোধী দলের নেতারা, সমাজের ভালো মানুষরা, মুসুল্লিগণ মিলে একটা কমিটি গঠন করতে পারলে খুবই ভালো হয় সাথে পুলিশ বাহিনী ও আর্মি বাহিনী থাকছেনই যেনো প্রতিটি ঘরের খবর নিতে পারি এবং সাধ্য মতো সরকারী খাদ্য বিত্তশালীদের ঘরে ঘরে পৌছে দিতে পারি তবেই হয়তো প্রপার ভাবে ঘরে ঘরে অভাব দেখা দিবে না।

আমি একজন সাধারন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মি সেই হিসাবে মাঠ পর্যায়ের একটা বিবরণ দিচ্ছি, ভুল হলে কিছু মনে করবেন না!!
যেমন সামনে মেয়র হিসাবে ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নূর তাপস উনাকে পুরান ঢাকার লোক ফেরাস্তা হিসাবে দেখেন। মেয়রের অফিস গ্লাস রুম দিয়ে পরিচালিত হবে সব ডিরেকসন হবে বাইরে থেকে হবে কারণ করোনা ভাইরাস একটি ছোয়াচে রোগ তাই থানার ওসি, আর্মি, থানার সরকারি দলের সভাপতি, বিরোধী দলের সভাপতি, থানার এসবি জরিপে সৎ লোকরা মিলে কমিটি হবে এই কমিটির সবারই গাড়ী অথবা হোন্ডা থাকা জরুরী কারণ দুরত্ব বজায় রাখা আর প্রতি ২৪ ঘন্টায় মেয়রের অফিসে থানায় কতজন আক্রান্ত হলো, কার কার খাবারের সমস্যা, কি করলে সমস্যা সমাধান হবে। এটা করতে পারলে আমরা মনে হয় ক্রাইসিস কাটাতে পারবো এবং এই সেবা কর্মীরা যদি মৃত্যু হয় তবে তাদের যোদ্ধা হিসাবে অবশ্যই সন্মান দেয়া হয়।

সবাই মনে রাখবেন ডাক্তার ও এই তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের মাঠ কর্মিরা আমাদের যোদ্ধা। সর্বচ্চ সন্মান তাদের দেয়া হোক!

* কিছু এলোমেলো চিন্তা থেকে চেষ্টা করি দেশটাকে কিভাবে বাঁচানো যায়, জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নকে বাস্তবায়নের স্বপ্ন আমার নিজেরও।

মোঃ শামীম রেজা খান
সাংগঠনিক সম্পাদক
কেন্দ্রীয় কমিটির
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ!